ধীরে ধীরে নগরের অলিগলির সবগুলো সড়ক সংস্কার করার ঘোষণা দিয়েছেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ইনশাল্লাহ প্রায় ২৩টি বড় সড়ক শিগগিরই নির্মাণ ও সংস্কার কাজ শুরু হবে। এতে চট্টগ্রামের অবকাঠামো উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন আসবে। শহরের নালাগুলোকে ‘প্রাইমারি ড্রেনেজ সিস্টেম’ উল্লেখ করে নালার সংস্কার কাজ অব্যাহত থাকবে বলেও ঘোষণাদেন, একইসঙ্গে প্লাস্টিক, পলিথিন, ককশিটসহ অন্যান্য জিনিসপত্র নালায় না ফেলার জন্য নগরবাসীর আহ্বান জানান।

নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল–নালা অবৈধ দখলমুক্ত করা জরুরি। আমি যখন শপথ নিই তখন অনেকেই প্রশ্ন করেছিলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন কীভাবে করা হবে? তখন আমার প্রথম চিন্তা ছিল, যেখানে যেখানে বড় বড় মার্কেট নালার উপর তৈরি হয়েছে সেগুলো ভেঙে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে বহদ্দারহাটের একটি বড় মার্কেট ভেঙে দিয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সেখানে বড় নালা তৈরি করেছি। এ নালাকে বারইপাড়া খালের সাথে একটি বিকল্প চ্যানেলের মাধ্যমে কর্ণফুলী নদীর সাথে যুক্ত করেছি। যার সুফল পাওয়া গেছে। হিজরা খাল, বিকল্প খালসহ বিভিন্ন নালার সংস্কার কাজ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডসহ বিভিন্ন সংস্থার সমন্বিত সহযোগিতায় সম্পন্ন করা হচ্ছে। এতে বাকলিয়া এলাকায় জলাবদ্ধতার দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। চন্দনপুরা ব্রিজ নিয়ে সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য বলেছি। বাকলিয়া ও কালামিয়া বাজার এলাকার কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আমি দায়িত্ব নেয়ার সময় বলেছিলাম, চট্টগ্রাম শহরের ৪১ ওয়ার্ডে ৪১টি খেলার মাঠ তৈরি করব। এ লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি। তরুণ প্রজন্মের জন্য সুস্থ বিনোদন ও খেলাধূলার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য। তিনি বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্লাস্টিক বোতল ও পলিথিনে জমে থাকা পানিই এ ধরনের ডেঙ্গু মশার জন্ম দেয়। তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। নাগরিক হিসেবে আপনারা কেবল সুবিধাভোগী নন, বরং নগরকে ভালোবাসা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও আপনাদের। নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং পরিবেশ সুন্দর রাখতে সবাইকে সচেতন হতে হব