1. অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত চলমান থাকলেও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) আলোচিত দুই প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীন-উল ইসলাম চৌধুরী ও নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফারজানা মুক্তাকে স্বপদে বহাল রাখার সুপারিশ করে মেয়রের পক্ষ থেকে একটি ডিও (D.O.) লেটার পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি প্রশাসনিক অঙ্গন ও চসিকে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
  2. এর আগে স্থানীয় সরকার বিভাগ পৃথক আদেশে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর) মোহাম্মদ শাহীন-উল ইসলাম চৌধুরী এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) ফারজানা মুক্তাকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন থেকে দেশের পৃথক দুই সিটি করপোরেশনে বদলির আদেশ জারি করে। অভিযোগ রয়েছে, ওই বদলির আদেশ কার্যকর হওয়ার আগেই তাদের চসিকে বহাল রাখার জন্য মেয়রের সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।
  3. এরও আগে গত ৯ জুলাই স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা এক স্মারকে শাহীন-উল ইসলাম ও ফারজানা মুক্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন অভিযোগ সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তকারী কর্তৃপক্ষকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছিল। অভিযোগের সূত্রপাত হয় গত ২৫ জুন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে।
  4. এদিকে তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই বদলিকৃত কর্মকর্তাদের স্বপদে বহাল রাখার সুপারিশ প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকে। তাদের মতে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ ধরনের উদ্যোগ তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি করতে পারে।
  5. তবে মেয়রের ডিও লেটার পাঠানোর কারণ সম্পর্কে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।